ভারতীয় জ্যোতিষ অত্যন্ত উন্নত ও বিজ্ঞান সম্মত একটি গবেষণামূলক শাস্ত্র। হিন্দু শাস্ত্রমতে সন্ধ্যা অত্যন্ত পবিত্র সময়। কথিত আছে, এই সময়েই লক্ষ্মীদেবীর গৃহস্থের বাড়িতে আসেন। দেবীর সুনজরে ধনসমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় সংসারে। আবার কুনজরে হতে পারে বিপুল ক্ষতি। থমকে যেতে পারে উন্নতি। দেখা দিতে পারে আর্থিক সংকট। তাই এই সময়ে কিছু কাজকে নিষিদ্ধ হিসাবে ধরা হয়। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই নিষিদ্ধ কাজগুলি করলে দেবীর সুনজর থেকে বঞ্চিত হতে পারেন আপনি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সূর্যাস্তের পর ঠিক কোন কোন কাজ করা একেবারেই অনুচিত। যেমন –
- ভুল করেও সূর্যাস্তের পর বাড়ির প্রবেশদ্বারকে কোনওভাবে আটকে রাখবেন না। সামনে কাউকে বসতে দেবেন না। বাড়ির চারপেয়ে সদস্য়কেও বসতে না দেওয়াই ভালো।
- সূর্যাস্তের সময় ঘরে ঝাঁটা দিয়ে কোনও কাজ করবেন না। তাতে দেবী লক্ষ্মীর কুনজরে পড়তে পারেন। আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে।
- অপরিষ্কার, ছেঁড়া জামা পড়ে থাকবেন না। তাতে নাকি দারিদ্র্যতার প্রকাশ পায়। তাই পরিষ্কার পোশাক পরার চেষ্টা করুন।
- সূর্যাস্তের পর গাছের পাতা কিংবা ফুল ছিঁড়বেন না। তাতে সংসারের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষত তুলসি গাছের পাতায় হাতও দেবেন না।
- শুধু পাতা কিংবা ফুল ছেঁড়াই নয়। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই সময়ে গাছের গোড়ায় জল দেওয়াও উচিত নয়। তাতে সংসারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
- ভুলেও সূর্যাস্তের পর নখ কাটবেন না। তাতে শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
- সূর্যাস্তের পর আর কাউকে রান্নাঘরের সামগ্রী দান না করাই ভালো। বিশেষত দুধ, দই, নুন, চিনি কাউকে দেবেন না। তাতে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। আবার গার্হ্যস্থ অশান্তিও আশঙ্কা থাকে।
- সূর্যাস্তের সময় চুল আঁচড়াবেন না। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, তাতে লক্ষ্মীদেবী রুষ্ট হতে পারেন। আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে।
- বেশিক্ষণ ধরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন না। তাতে নেতিবাচক শক্তি শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, সূর্যাস্তের পর আয়নার সামনে বেশিক্ষণ না দাঁড়ানোই ভালো।
- ঘুমের সময়েও কিছু নিয়ম মানা প্রয়োজন। হিন্দু শাস্ত্রমতে ভুলেও উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমোতে নেই।
- সূর্যাস্তের সময় নিজেকে নিয়ে নেতিবাচক ভাবনা থেকে বিরত থাকুন।
