www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 24, 2024 3:00 am

দেখতে দেখতে ১১ দিনে পা দিয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। রুশ হামলার মুখে পড়ে কার্যতই দিশাহারা ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘ জানাল, গত ১০ দিনে দেশ ছেড়েছেন ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে তাঁরা পাড়ি দিয়েছেন আশপাশের দেশগুলিতে।
রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থীদের হাই কমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি একটি টুইট করেছেন। সেখানেই এই পরিসংখ্যানের কথা জানিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এত অল্প সময়ে এত বেশি সংখ্যক শরণার্থী ইউরোপে দেখা যায়নি।”
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা করে রুশ সেনা। তারপর থেকে ক্রমেই খারাপ হতে থাকে পরিস্থিতি। দ্রুত দেশ ছেড়ে আশ্রয়ের জন্য অন্যত্র পাড়ি দেন বহু মানুষ। সবথেকে বেশি মানুষ গিয়েছেন পোল্যান্ডে। প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ এখনও পর্যন্ত আশ্রয় নিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের গোষ্ঠীভুক্ত এই দেশে। মলডোভা, যেটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, সেখানেও গিয়েছেন প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে ৩০ হাজার শিশু। এদিকে গ্রিসে পৌঁছেছেন প্রায় ৩ হাজার ৭০০ ইউক্রেনীয়।
এদিকে যুদ্ধবিধস্ত ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন অন্য দেশ থাকা বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বহু ভারতীয়। তাঁদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে রাশিয়ার কাছে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়েছিল ভারত-সহ একাধিক দেশ। সেই আরজি মেনে শনিবার ৫ ঘণ্টা ও রবিবার আড়াই ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে মস্কো। কিন্তু ইউক্রেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শনিবার মারিওপোল শহরে উদ্ধারকাজ মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয়। কারণ উদ্ধারকাজ চলাকালীন রুশ বাহিনী গোলাবর্ষণ করছিল বলে অভিযোগ। যার জেরে তিন নাগরিকের মৃত্যু হয় বলে খবর। রবিবারও পুনরাবৃত্তি ঘটল সেই ঘটনার। এবার রুশ হামলার টার্গেট ইরপিন শহর। অভিযোগ, যে সেতুর উপর দিয়ে নাগরিকদের নিয়ে আসা হচ্ছিল সেই সেতুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় রুশ সেনা। সেখানেই ২ শিশু-সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে রুশ হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে ভিনেতশিয়া বিমানবন্দর। এমনটাই জানিয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

সত্যকে সামনে আনতে আমজনতার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার আরটিআই বা রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট বা তথ্যের অধিকার আইন। অথচ দেশের নিরাপত্তার অজুহাত সেই প্রক্রিয়াকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে। তথ্যের অধিকার আইনে দায়ের করা মামলায় জবাব না দেওয়ার সংখ‌্যা বেড়েছে লাফিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, এই ধরনের আরজিতে জবাব না দেওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৮৩ শতাংশ।
কমনওয়েলথ হিউম‌্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ বা সিএইচআরআই-এর পক্ষে বেঙ্কটেশ নায়ক জানিয়েছেন, বিভিন্ন মন্ত্রকের অধীন ২১৮২টি দপ্তর বিষয়ে তথ‌্য চেয়ে আবেদন জমা পড়েছে। কত আরটিআইয়ের আবেদন জমা পড়েছে তা নিয়ে প্রতি বছরই প্রতিটি মন্ত্রককেই কেন্দ্রের সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হয়। তার থেকেই দেখা গিয়েছে, ২০১৯-২০ সালে সারা দেশে কেন্দ্রীয় সরকারি মন্ত্রক এবং বিভিন্ন দপ্তরের নানা তথ‌্য দাবি করে ১২ লক্ষ ৯০ হাজারের বেশি আরটিআইয়ের আবেদন জমা পড়েছে। তারই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সেই আবেদন বাতিল হওয়ার সংখ‌্যাও। ২০২০-২১ সালে এই বাতিলের সংখ‌্যা কিছুটা কমেছে, তবে সংখ‌্যার নিরিখে তা বিশেষ কম নয়।
জানা গিয়েছে সবচেয়ে বেশি আরটিআই জমা পড়েছে স্বাস্থ‌্যমন্ত্রকের কাছ থেকে তথ‌্য জানতে চেয়ে। তবে অনেক তথ্যের ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার যুক্তিতে জবাব দেওয়া হয়নি। এমনকী, ক্রেতাসুরক্ষা বিভাগের ৪০১টি আরজি নিরাপত্তা যুক্তিতে খারিজ হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিসংখ্যান।
উল্লেখ্য, ইউপিএ জমানায় তৈরি হওয়া তথ্যের অধিকার আইনে এবার পরিবর্তন আনার উদ্যোগ কেন্দ্রের। প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, রাজ্য ও কেন্দ্রের তথ্য কমিশনারের বেতন এবার নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার। বর্তমান তথ্য কমিশনারের মেয়াদকাল পাঁচ বছর। তিনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতন পান। কিন্তু, বিলটি পাশ হয়ে গেলে তথ্য কমিশনারের মেয়াদকাল সরকার ইচ্ছামতো বদলে দিতে পারবে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *